Monday, February 25, 2013

দিল্লীর গণধর্ষণ, ধর্ষণের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদের শ্রেণী চরিত্র!

(দৈনিক যুগান্তর, ১৫/০১/২০১৩)

নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন, নারী-শিক্ষার প্রসার, নারীর সম-অধিকার কিংবা নারীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রভৃতি এজেন্ডা নিয়ে বিস্তর আহাজারি বিগত কয়েক দশক ধরে জোরালো হলেও, এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা দিন দিন বেড়েই চলেছে; কী দেশে কী বিদেশে; কম কিংবা বেশি সবখানে। তবে তার রূপ, চরিত্র এবং ধরণ পাল্টাচ্ছে কিন্তু নিষ্ঠুরতা ও বর্বতার মাত্রার পরিবৃদ্ধি ঘটেছে। নারীর প্রতি সহিংসতার একটি অন্যতম ধরণ হচ্ছে ”ধর্ষণ”। ধর্ষণের নানান অনুষর্গ, প্রেক্ষিত কিংবা কনটেক্সট থাকতে পারে। তবে, ধর্ষণ একজন নারীকে সামাজিকভাবে, পারিবারিকভাবে, নৈতিকভাবে এবং মানসিকভাবে নির্যাতনের একটি অন্যতম কৌশল হিসাবে পুরুষতান্ত্রিক এবং পুরুষ-আধিপত্যবাদি সমাজে সুদীর্ঘকাল ধরে জারি আছে। অন্যের প্রতি প্রতিশোধ নেয়ার জন্য, পারিবারিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য, শক্রপক্ষের মনোবল নষ্ট করার জন্য প্রতিপক্ষের নারীকে ধর্ষণ করবার তরিকা দীর্ঘকাল থেকে সমাজে একটি কার্যকর কৌশল হিসাবে চালু আছে। এ প্রবন্ধে, “ধর্ষণ”-কে একটি কৌশল হিসাবে বিবেচনা না-করে, “ধর্ষণ”কে পুরুষতান্ত্রিক এবং পুরুষ-আধিপত্যবাদি সমাজে নারীর অবস্থানকে উপলব্ধি করবার উপাত্ত হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি, সভ্য, আধুনিক, নারীর-ক্ষমতায়ন, নারীর সম-অধিকার প্রভৃতি গালভার বুলি দিয়ে উপস্থাপন করা “উন্নয়নের ডিসকোর্স”কে কীভাবে তুঁড়ি মেয়ে উড়িয়ে দিতে পারে একটি ধর্ষণের ঘটনা সেটাকে বিশ্লেষণের চেষ্টা করা হয়েছে। সে বিশ্লেষণের ফ্রেমওয়ার্কে, দিল্লীর গণধর্ষণের ঘটনাকে একটি উপাত্ত হিসাবে ধরে ধর্ষণের প্রতিবাদের মধ্যেও অসম-ক্ষমতার সম্পর্ক আছে এবং প্রতিবাদেরও একটি শ্রেণী-চরিত্র আছে, এ-নিবন্ধে তার স্বরূপ উন্মোচনের চেষ্টা করা হয়েছে।

দিল্লীর গণধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো ভারতজুড়ে যে প্রতিবাদের জোয়ার এসেছে, তা অভূতপূর্ব হিসাবে উপস্থাপন করা হলেও, নিকট অতীতে এ-ধরণের গণজোয়ারের নজির আছে। রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের বাইরে এবং রাজনৈতিক এজে-া-বহির্ভূত সমাজের অভ্যন্তরীণ চেতনা থেকে উঠে আসা এ-ধরণের গণআন্দোলন ভারতে নিকট অতীতে আরো দু’বার ঘটেছে। ১৯৯৯ সালে ৩০ এপ্রিল যখন ভারতের বিখ্যাত মডেল জেসিকা লালকে দিল্লীতে খুন করা হয় এবং খুনের আসামি হরিয়ানা থেকে নির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রভাবশালী কংগ্রেস-সদস্য বাবু বিনোদ শর্মার ছেলে মানু শর্মাকে বাঁচানোর জন্য রাষ্ট্র, সরকার, আইন, আদালত সব যখন একাট্টা হয়ে কাজ করছিল, তখন দিল্লীর মানুষ এবং দিল্লীর সূত্র ধরে গোটা ভারতে বিরাট এক গণজোয়ার উঠেছিল। সে প্রতিবাদের জের দীর্ঘদিন বলবৎ ছিলো এবং শেষমেষ, ২০০৬ সালের ডিসেম্বরের ২০ তারিখ মানু শর্মাকে যাবৎ-জীবন কারাদ- দেয়া হয়। দ্বিতীয়বার এরকম গণজোয়ার উঠেছিলো অতিসম্প্রতি আন্না হাজারের দুর্নীতি বিরোধী অনশনের সময়, যখন সারা ভারতের আনাচে কানাচে তোড়পাড় উঠেছিল, “লাইভ টেলিকাষ্টে”র মাধ্যমে যার নমুনা বিশ্বব্যাপি লোকজন দেখেছে। এবার দিল্লীর একটি চলন্ত বাসে ডিসেম্বরের ২১ তারিখ ২৩ বছর বয়সী এক মেডিক্যালের ছাত্রীকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে এবং দোষীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ভারতে আবার গণবিষ্ফোরণ দেখা যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, মহাত্মা গান্ধী প্রতিবাদ-আন্দোলনের যে অহিংস নীতির সূত্রপাত করেছিলেন, সেটা ভারতের রজনীতিতে বেশিদিন কার্যকর থাকেনি। ফলে, জনসমাবেশ ও গণসমাবেশ আর “অহিংস” দর্শনের ভাবধারায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। কেননা, কম-বেশি সবধরণের গণবিষ্ফোরণগুলো মূলতঃ ঘটেছে রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় নেতৃত্বে এবং সুর্নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজে-া বাস্তবায়ন করার জন্য। এবার যে গণজোয়ার এবং গণবিষ্ফোরণ ঘটেছে, তা কোন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে ঘটেনি কিংবা কোন রাজনৈতিক এজে-া বাস্তবায়নের জন্যও ঘটেনি। সমাজের এ-গণজোয়ার এবং বিষ্ফোরণ অভাবনীয় এবং তীব্রভাবে সমাজকে নাড়া দিয়েছে। তার ঢেউ বাংলাদেশেরও এসে লেগেছে। বাংলাদেশেও ধর্ষণের ঘটনা আশংকাজনক হারে বাড়লেও, এটা নগর-কেন্দ্রীক সুবিধাবাদি-মধ্যবিত্তের কাছে অনেকটা “গা-সওয়া” হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু ভারতের এ ধর্ষণ-বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতায় আন্দোলিত হয়ে বাংলাদেশেও বেশ কিছু সংগঠন, কিছুটা দেখানো-গোছের হলেও, মাঠে নেমেছে। যেমন, গত ০৩/০১/১৩ তারিখ ঢাকায় অনেকগুলো অধিকার-কাতর সংগঠন যেমন উদ্যমে উত্তরণে শতকোটি, সাংগাত [দক্ষিণ এশিয়ার নারী আন্দোলন কর্মীদের মোর্চা], আইন ও শালিশ কেন্দ্র, এ্যাকশন এইড, ব্র্যাক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নিজেরা করি, প্রাগ্রসর, উই ক্যান, অক্সফ্যাম, এশিয়াটিক, নারীপক্ষ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও নারী প্রগতি সংঘ সহ বেশ কিছু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একটি বানববন্ধ করে “ধর্ষকের ক্ষমা নাই”, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ কর”, “সব ধরণের ধর্ষণের দ্রুত ও ন্যায় বিচার চাই” ইত্যাদি ফেষ্টুন প্রদর্শন করে এক ধরণের প্রতিবাদ করে। এধরণের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের সক্রিয়তা এবং কার্যকারিতা সমাজের ইতিবাচক রূপান্তরের জন্য জরুরি। এবং একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু সমাজ ভাবনার সাথে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অর্থনৈতিক স্বক্ষমতা, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, এবং নারীকে মানুষের মর্যদায় আসীন করবার কোন বিকল্প নাই। কিন্তু এ-ধরণের প্রতিরোধ আন্দোলনের একটা বড় সংকট হচ্ছে এটা সমাজের সব স্তরের মানুষের প্রতি সমানভাবে নজর দেয় না। ফলে, এ প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ-আন্দোলন একটা শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে বলেই এর একটি শ্রেণীচরিত্র দাঁড়িয়ে যায়। যেমন, ভারতের এ আন্দোলনের কথাই ধরা যাক।

ধর্ষণের বিচার চেয়ে ভারতে যে আন্দোলন চলছে তাকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে, এ আন্দোলন সমাজের সব-স্তরের অত্যাচার-অনাচারের বিষয়কে সমান-গুরুত্বের সাথে প্রাধান্য দেয় না। সমাজের এ-প্রতিরোধ আন্দোলন সমাজের উচ্চবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত, কিংবা মধ্যবিত্তের জন্য যতোটা গড়ে উঠে, সমাজের নি¤œবিত্তের মানুষের জন্য ততোটা হয়না। এখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের একটি শ্রেণী চরিত্র পাওয়া যায়। যে কারণে ধর্ষণ-বিরোধী এ-আন্দোলন চলাকালীন সময়েই সমাজের অন্যস্তরে নতুন নতুন ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে কিন্তু এ ধর্ষিতাদের আত্মচিৎকার দিল্লী পর্যন্ত পৌঁছায় না। ফলে, এ আন্দোলনের প্রতিফল কী? রাষ্ট্রযন্ত্রকে সামান্য নাড়া দেয়া এবং মহান (!) ভারতবাসীর প্রতিবাদি চরিত্রকে গ্লোবাল মার্কেটে হাইরেটে “সেল” করা। যা প্রকারান্তরে গোলকায়নের হাত ধরে ভারতের বিশ্বশক্তি হিসাবে গজিয়ে উঠবার যে বাসনা এবং প্রক্রিয়া, তাতে পেট্রোল জোগায়। তাই, শাসক শ্রেণী এ-আন্দোলনে মূলত: বিগলিত কেননা এ-আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ এবং “ধর্ষণ বিরোধী আইন” করবার জন্য যে তাগিদ এবং দৌঁড়ঝাপ, তার নগদফল আখেরে শাসকশ্রেণীর পকেটেই যায়। রাজনীতির এ ব্যাকরণ বোঝাটা জরুরি। এজন্যই ভারতীয় যৌথ বাহিনী যখন কাউন্টার ইন্সারজেন্সির নামে আদিবাসি মাওবাদিদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় তখন এ-সামাজিক আন্দোলন দানা বাঁধে না। গৌহাটির আদিবাসি নারী লক্ষèী ওরাং-কে যখন পুলিশ রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে উলঙ্গ করে অত্যাচার করে, তখন মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়না! তখন আন্দোলন দানা বাঁধে না। চ-িশগড়, জংগলমহল, ত্রিপুরা অথবা লালগড়ে যখন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোকতায় বেসুমার নির্যাতন চলে, তখন সামাজিক আন্দোলন হয়না কিংবা প্রান্তের ঘটনা বলে সেটা কেন্দ্রের কানে যায়না। সেখানেই কেন্দ্র বনাম প্রান্তের অসম ক্ষমতার সম্পর্ক আমরা দেখতে পাই। ২০০১ সালে এ্যামন্যাষ্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলিত সম্প্রদায়ের-- কিংবা নি¤œবর্গের-- নারীদের মধ্যেই ভারতে সর্বাধিক নারীর-শ্লীলতা হানি এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং ধর্ষণকারীর মধ্যে অধিকাংশই ভূ-স্বামী, গ্রামের উচ্চ-কায়স্থ বংশের লোক এবং পুলিশ। ফলে, এ্যামন্যাষ্টির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ৫% ধর্ষণের ঘটনা রেকর্ড হয় এবং রেকর্ডকৃত ঘটনার মধ্যে ৩০% মিথ্যা প্রমাণিত হয় আর ৭০% মামলার পরবর্তীতে কোন হদিস থাকেনা। কিন্তু নি¤œবর্গের মানুষের এ-করুণ চিত্র দিল্লী পর্যন্ত পৌঁছায় না কেননা ভারতের ষ্টাবলিষ্টমেন্টবাদি মিড়িয়ার নজর তখন দিল্লীর বাইরে যায় না। যেমন মণিপুরের শর্মিলা চানু যিনি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গত বার বছর অনশন করেও মিড়িয়ার “সুনজর” কাড়তে পারেনি। অন্যদিকে আন্না হাজারের অনশনের যেহেতু একটা কর্পোরেট মূল্য আছে, সেটার “লাইভ টেলিকাষ্ট” হয়। আন্নাহাজারেকে মিড়িয়ায় ফোকাস দেয়ার পশ্চাতে যে প্রকারান্তরে দুর্নীতির আখড়া ভারতের দুর্নীতি-বিরোধী একটা ইমেজ তৈরী হয় এবং সেটার যে একটা “আইকনিক” মূল্য আছে, এ প্রতিরোধকারী প্রতিবাদি শ্রেণী সেখানে বুঝে, কিংবা না-বুঝে, প্রণোদনা যোগায়। এরকম একটি ক্রিটিক্যাল দৃষ্টিভঙ্গির ফ্রেমওয়ার্কে দেখলে, দিল্লী এ-প্রতিরোধ আন্দোলনের যে আসল ও দীর্ঘ মেয়াদি কোন সামাজিক-প্রতিফল নাই, সেটা দিবালোকের মতো সাফ হয়। হয়তো ধর্ষণ-বিরোধী একটা শক্ত আইন হবে কিন্তু “আইন” আর তার “প্রয়োগ” এক বিষয় নয়। তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, “আইনের চোখে সবাই সমান” বলে শাসক শ্রেণী শত বগল-বাজালেও, আইন ও এর-প্রয়োগ-প্রক্রিয়া যে শ্রেণী-নির্বিশেষ শ্রেণী-নিরপেক্ষ নয়, সেটা সমাজের তলার অধিবাসিরা তাদের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতায় হাড়ে হাড়ে টের পায়। আমরাও এ প্রেমিজের বাইরে নই।

বাংলাদেশেও যে ধর্ষণ-বিরোধী মানববন্ধন করা হয়েছে, সেখানে দীর্ঘদিন আগে সংঘঠিত টাঙ্গাইলের একটি ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ করা হয়েছে অথচ রাঙামাটিতে যে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ তুমা সিং মারমাকে তিনজন বাঙালি সেটেলার মিলে গণধর্ষণ করে খুন করেছে, তার জন্য কোন তীব্র প্রতিবাদ দেখা যায়নি। এখানেও, প্রতিবাদের সুর ও স্বরে পাহাড়ি বনাম বাঙালি সাংস্কৃতিক-রাজনীতির ছায়া দেখা যায়। এভাবেই, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আন্দোলন একটি শ্রেণীচরিত্র ধারণ করে, যেখানে সমাজের মূলধারার কিংবা উচ্চবর্গের মানুষের জন্য যতোটা আহাজারি থাকে, সমাজের নি¤œবর্গের মানুষের জন্য অতোটা দরদ থাকেনা। ফলে, এটা সমাজের একটা শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হয় বিধায় এর কোন দীর্ঘমেয়াদি সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষ পায় না। সামাজিক জোয়ার যদি সমাজের সকল-স্তরের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কোন সামাজিক পরিবর্তন না-ঘটাতে পারে, তবে সেটা একটি “মৌসুমি আবেগ” ছাড়া আর কিছুই নয়। তথাপি দিল্লীর জোয়ারকে সাধুবাদ জানাই এজন্য যে, এ আন্দোলন একটি দলীয়ভাবে অরাজনৈতিক এজে-ায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একটি “সামাজিক এজে-ায়” একীভূত করে তীব্রভাবে আলোড়িত করেছে। তাছাড়া দিল্লী’র এ-আন্দোলন একটা ফাও ধন্যবাদ এমনিই পায়, কেননা বাংলাদেশের কনটেক্সটে সামাজিক আন্দোলনে যে ভাটা পড়েছে, এ-আন্দোলন সেখানে কিছুটা হলেও জোয়ারের টোকা দিয়েছে! এখন প্রত্যাশা এই যে, দিল্লীর জোয়ারে তোড়ে বাংলাদেশের সামাজিক আন্দোলনের নিরবতা যেন আর অটুট না-থাকে; যেন শীঘ্রই টুটে যায়!

ড. রাহমান নাসির উদ্দিন: সহযোগী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে হুমবোল্ট ভিজিটিং ফেলো হিসাবে জার্মানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন।

No comments:

Post a Comment